জবা ফুলের গল্প
গ্রামটি ছিল সবুজে ভরা, মাটির গন্ধ আর পাখির ডাকে মাখা। এই গ্রামের এক কোণে ছিল একটি পুরনো মন্দির, যা বছরের পর বছর ধরে গ্রামের মানুষদের আস্থা আর বিশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। মন্দিরের চারপাশে ছিল অসংখ্য জবা ফুলের গাছ। লাল, সাদা, গোলাপি, বিভিন্ন রঙের জবা ফুলগুলো যেন মন্দিরের শোভা বাড়াত। গ্রামের মানুষজন প্রতিদিন সকালে মন্দিরে এসে জবা ফুল দিয়ে দেবতাকে পূজা করত। এই গ্রামেরই এক কোণে বাস করত ছোট্ট মেয়ে কনিকা। কনিকার বয়স ছিল মাত্র আট বছর। সে ছিল খুবই প্রাণবন্ত আর চঞ্চল, কিন্তু তার একটি বড় দুঃখ ছিল—সে কথা বলতে পারত না। কনিকার কথা না বলার জন্য গ্রামের অনেকেই তাকে অবহেলা করত, কেউ কেউ আবার মজা করত তার সাথে। কিন্তু কনিকার মা-মা বাবার কাছে সে ছিল তাদের চোখের মণি। তারা সবসময় চেষ্টা করত কনিকার মন খুশি রাখ...